
অনলাইন ডেস্ক : অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার দেওয়া প্রতিশ্রুতির ‘৯৯ শতাংশই রাখেননি’। ড. ইউনূস দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে অনিয়ম, মালিকানা পরিবর্তন এবং লুটপাট করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন উপস্থাপক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আব্দুন নূর তুষার। ঢাকা জার্নাল নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া বক্তব্যে আব্দুন নূর তুষার বলেন, দেশের বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সাধারণ মানুষ টাকা জমা রাখলেও অনেক ক্ষেত্রে সেই প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকানা গোপনে পরিবর্তন করা হয়েছে। এ বিষয়ে মানতকারীদের কোনো ধরনের খোলামেলা তথ্য জানানো হয়নি।
অভিযোগ করে তিনি বলেন, আমরা জানতেও পারিনি যে এসব প্রতিষ্ঠানের হাতবদল হয়েছে। একটি স্বৈরশাসনের সময়ে এসব কাজ হয়েছে, যখন কথা বলার পরিবেশ ছিল না।
তখন কিছু ব্যক্তিকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান লুটপাটের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
আব্দুন নূর তুষার দাবি করেন, বর্তমানে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসব অনিয়ম ও জোরপূর্বক মালিকানা বদলের খবর প্রকাশিত হচ্ছে। তিনি বলেন, সাধারণ আমানতকারীরা বেশি লাভের আশায় নয়, নিরাপত্তার কথা ভেবেই এসব প্রতিষ্ঠানে টাকা রেখেছিলেন।
আব্দুন নূর তুষার আরো বলেন, সাধারণ আমানতকারীরা লাভের আশায় নয়, বরং নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে টাকা রেখেছিলেন।
তিনি দাবি করেন, লাভ-ক্ষতির বিষয়টি নির্ধারণ ও তদারকির দায়িত্ব ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের।তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক আমাদের আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল। কিন্তু যেসব প্রতিষ্ঠানে আমরা টাকা রেখেছিলাম, সেসব প্রতিষ্ঠানের অভিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুদকের কাছে সাক্ষ্য দিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তা তাদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছেন।
আব্দুন নূর তুষার অভিযোগ করেন, যদি বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে আমানতকারীদের অর্থ ঝুঁকির মধ্যে ফেলে থাকেন, তাহলে সেই দায়ও বাংলাদেশ ব্যাংককেই নিতে হবে।তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এসব আমানতের বিপরীতে কোনো মুনাফা বা লাভ দেওয়া হচ্ছে না।ফলে আমানতকারীরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ সমস্যা সমাধানে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ক্ষতিগ্রস্ত আমানতকারীদের অর্থ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
অপরাধ ঘোষনা aporadhghoshona
