শিরোনাম

চসিকে বছরে ২২৪ কোটি টাকা গৃহকর দিবে চট্টগ্রাম বন্দর

নিজস্ব প্রতিবেদক : গৃহকর হিসেবে বছরে ২২৪ কোটি টাকা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) দিতে হবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে। বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে গৃহকর নির্ধারণ নিয়ে আপিল শুনানি শেষে এ রায় দেওয়া হয়েছে। আগের বছরের বকেয়াসহ ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বন্দরের কাছে চসিক পাবে ২৫৫ কোটি টাকা।

সোমবার (২ নভেম্বর) বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত আপিল শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করা হয়।

চসিকের রাজস্ব সার্কেল-৭-এর কর কর্মকর্তা একেএম সালাহউদ্দিন জানান, চসিক গৃহকর নির্ধারণের জন্য বন্দরের অ্যাসেস ভ্যালু বা মূল্যায়িত সম্পত্তির মূল্য ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা নির্ধারণ করেছিল। এর ভিত্তিতে বার্ষিক গৃহকর আসে ২৬৪ কোটি টাকা। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে চসিকের কাছে আপিল করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। তবে করপোরেশনের শুনানিতে গৃহকর কমানো হয়নি।

নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত করের ৭০ শতাংশ জমা দিয়ে বিভাগীয় কমিশনারের আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। সে অনুযায়ী ১৯৮ কোটি টাকা জমা দিয়ে আপিল করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ শুনানি শেষে চূড়ান্ত রায়ে ১৫ শতাংশ কর রহিত করা হয়। এতে বার্ষিক গৃহকর নির্ধারণ করা হয়েছে ২২৪ কোটি টাকা।

একেএম সালাহউদ্দিন আরো জানান, আগে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সিটি করপোরেশন বছরে ৪৫ কোটি টাকা গৃহকর পেতো। সারচার্জ বাদ দিলে প্রকৃত গৃহকর আদায়ের পরিমাণ ছিল ৩৫ কোটি টাকা।

চসিকের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বন্দরের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত কোনো ব্যবসা নেই। তাই বন্দরের প্রতি তার কোনো ব্যক্তিগত দুর্বলতাও নেই। তিনি চেয়েছেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন তার ন্যায্য পাওনা বুঝে পাক। এ বিষয়ে তিনি অনড় ছিলেন। শেষ পর্যন্ত চসিক তার ন্যায্য পাওনা পাচ্ছে, যা সিটি করপোরেশনের ইতিহাসে একটি রেকর্ড।

বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তাঁরা এখনো চূড়ান্ত রায়ের বিস্তারিত পাননি। তাই এ মুহূর্তে এ বিষয়ে কিছু বলতে পারছেন না।

Check Also

ফটিকছড়ি দক্ষিণ ধর্মপুর হযরত আলহাজ্ব শাহ্ আলী আহম্মদ কোম্পানীর ফাতেয়া শরীফ

খবর বিজ্ঞপ্তি: ফটিকছড়ির দক্ষিণ ধর্মপুর হযরত আলহাজ্ব শাহ্ আলী আহম্মদ কোম্পানীর ফাতেয়া শরীফ, খতমে হাজেগান, …