
অনলাইন ডেস্ক: নাটোরের লালপুরে এক তরুণীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তিন তরুণের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ওই তরুণীর কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা আদায় এবং পরে আরও ২০ হাজার টাকা দাবি করার অভিযোগও রয়েছে।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণীর করা মামলায় তিন তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।গ্রেপ্তাররা হলেন—লালপুর উপজেলার মণ্ডলপাড়া এলাকার মো. আশিক (২২), জৌতদৈবগী গ্রামের মো. শাকিল ইসলাম বাঁধন (২০) ও একই এলাকার মো. কাজল (২২)। তারা পরস্পরের বন্ধু।

লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ১৯ বছর বয়সী ওই তরুণীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে আশিকের। শনিবার বিকেলে তিনি তরুণীকে লালপুর গ্রীণভ্যালি পার্কে ঘুরতে নিয়ে যান।
পরে আশিক ও তার বন্ধু কাজল ওই তরুণীকে শাকিলের বাড়িতে নিয়ে যান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। সেখানে আশিক তরুণীকে ধর্ষণ করেন। এ সময় কাজল ও শাকিল দূর থেকে মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ওই দুই তরুণ কক্ষে গিয়ে ধারণ করা ভিডিও দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং তরুণীকে ধর্ষণ করেন। এরপর তাকে অটোরিকশায় করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
বাড়িতে পৌঁছানোর পর অভিযুক্তরা পুলিশ পরিচয়ে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তরুণীর কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা আদায় করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পরে আরও ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয়।
বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানানোর পর ওই তরুণী লালপুর থানায় মামলা করেন। এরপর রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী তরুণীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও আইনি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অপরাধ ঘোষনা aporadhghoshona
